সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা জেলা শিল্পকলা একাডেমির গুণীজন সম্মাননা প্রদান আজ জুলাই শহীদ দিবস পালন সরকার জনগণের সাথে বেইমানি করেছে বর্ণাঢ্য রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল ছাতকের জলাশয়ে মিলছে রাক্ষুসে সাকার মাছ! জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্ত সাবেক মেজর ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার

‘মিরর’-এর ডিজিটাল কারসাজির ফাঁদে ভোক্তারা

  • আপলোড সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
‘মিরর’-এর ডিজিটাল কারসাজির ফাঁদে ভোক্তারা
মনগড়া এক্সচেঞ্জ নীতি, ভোক্তা অধিকার আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ স্টাফ রিপোর্টার :: ঈদ কেনাকাটার ভিড়ে এক অভিনব ডিজিটাল বিলিং সিস্টেমের মাধ্যমে ভোক্তাদের ফাঁদে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের ‘মিরর’ নামক একটি পোশাকের দোকানের বিরুদ্ধে। সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের বিপরীতে অবস্থিত এই খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানটি তাদের মনগড়া পণ্য বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিপণন আইন এবং ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ক্রেতাদের মতে, দোকানটিতে পণ্য ফেরত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে ৭ দিনের মধ্যে পণ্য বিনিময়ের সুবিধা দেওয়া হলেও, দোকানের বিলিং সফটওয়্যারটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যা কেবল বাড়তি মূল্যের (আপওয়ার্ড) সমন্বয় করতে পারে। অর্থাৎ, কোনো ক্রেতা যদি আগের চেয়ে বেশি দামের পণ্য পরিবর্তন করে নেন, তবে সফটওয়্যারটি বাড়তি টাকা গ্রহণ করে। কিন্তু পরিবর্তিত পণ্যের দাম যদি আগের কেনা পণ্যের চেয়ে কম হয়, তবে বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ওই সফটওয়্যারে নেই। ফলে ক্রেতারা তাদের বাকি টাকা উসুল করতে বাধ্য হয়ে আরও বাড়তি পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, কাপড়ের চড়া দামের সাথে পণ্যের প্রকৃত মানের কোনো মিল নেই। এর ওপর বিষফোঁড়া হিসেবে, দোকানের এই শর্তগুলো ক্যাশ মেমোতে সম্পূর্ণ ইংরেজিতে লেখা থাকে, যা কেবল কেনাকাটা শেষ হওয়ার পরই ক্রেতার হাতে দেওয়া হয়। দোকানের ভেতরে বাংলায় কোনো সতর্কবার্তা বা প্লেকার্ড ঝোলানো না থাকায়, সাধারণ ক্রেতারা টাকা পরিশোধ করার আগে এই নীতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে থাকছেন। ক্ষুব্ধ ক্রেতারা এখন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি) এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করার এবং এই ধরনের ডিজিটাল অনিয়মের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে সুনামগঞ্জ মিররের ম্যানেজার তারেক মিয়া বলেন, পণ্য বিনিময় পদ্ধতি শুধু আমাদের এমন নয়। সকল আউটলেট প্রতিষ্ঠানগুলো এমনই। এটি সারা বাংলাদেশে একই। তবে মাঝেমধ্যে গ্রাহকদের সাথে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে যায়। পরবর্তীতে এ জাতীয় সমস্যার নিরসন করা হয়। সুনামগঞ্জ ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদ বলেন, এমন অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। ঈদকে সামনে রেখে কাপড়ের দোকানগুলো যাতে কোনো কারসাজি না করতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা মনিটরিং জোরদার করবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য